01781838213 / 01873935388 paharadarbd@gmail.com

টেলিভিশনের শিল্পী হিসেবেই তাঁদের পরিচিতি। বেশির ভাগ সময় তাঁদের ব্যস্ততা থাকে টিভি অনুষ্ঠানকেন্দ্রিক। সেসবের ফাঁকে তাঁরা কাজ করেন চলচ্চিত্রে। এ রকম কয়েকজন তারকাকেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে এগিয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। গত পাঁচ বছরের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকা সেই কথাই বলছে। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা, অভিনেত্রী, পার্শ্বচরিত্রের অভিনেতা, অভিনেত্রী, খলনায়ক, কৌতুক অভিনেতার মতো গুরুত্বপূর্ণ শাখায় পুরস্কার পেয়ে আসছেন টেলিভিশনের শিল্পীরা। ২০১৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পান শাকিব খান ও মাহফুজ আহমেদ। দুজনের একজন মূলধারার চলচ্চিত্রের, অন্যজন টেলিভিশনের শিল্পী। সেবার সেরা অভিনেত্রী হয়েছিলেন জয়া আহসান। পার্শ্বচরিত্রের সেরা অভিনয়শিল্পীর পুরস্কার পেয়েছিলেন গাজী রাকায়েত ও তমা মির্জা, খল চরিত্রে ইরেশ যাকের। ২০১৬ সালে চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে জাতীয় পুরস্কার পান আলীরাজ।

২০১৭ সালে টেলিভিশনের সাত অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে পুরস্কার পেয়েছিলেন চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পী শাকিব খান ও আরিফিন শুভ। তবে ২০১৮ সালের চিত্রটা ভিন্ন। সে বছর সব শাখার পুরস্কার পেয়েছিলেন চলচ্চিত্রের তারকারা। পরের বছর, ২০১৯ সালে চলচ্চিত্রের নিয়মিত অভিনয়শিল্পীদের কেউই পুরস্কার পাননি। সেই তালিকায় ছিলেন টেলিভিশনের তারিক আনাম খান, সুনেরা বিনতে কামাল, ফজলুর রহমান বাবু, জাহিদ হাসান ও নার্গিস আক্তার।

২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জুরিবোর্ডের সদস্য ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান আ জ ম শফিউল আলম ভূঁইয়া। তিনি জানান, জুরি হিসেবে ছবি দেখার সময় কে কোন মাধ্যমে অভিনয় করেন, সেটা বিবেচনায় আনা হয় না। যাঁরা ভালো অভিনয় করেন, তাঁদেরই মনোনীত করা হয়। তিনি বলেন, ‘যে ছবিগুলো জমা পড়ে, সেখান থেকে জুরিবোর্ডের সদস্যরা আলাদা বিচার-বিবেচনা করে একটি মার্ক দেন। মার্কে যাঁরা এগিয়ে থাকেন, তাঁরাই সেরা হিসেবে পুরস্কার পান। এখানে অভিনয়দক্ষতাই প্রধান। প্রশ্ন হচ্ছে, তিনি ভালো অভিনয় করেছেন কি না।’ শ্রাবণ মেঘের দিন ছবিতে অভিনয় করে জাহিদ হাসান প্রথম ১৯৯৯ সালে সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পান।