01781838213 / 01873935388 paharadarbd@gmail.com

এক সফরে তিন সংস্করণে অভিষিক্ত প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার থাঙ্গাসু নটরাজন। এক টেস্টে ওভারের প্রথম বলে পাঁচবার ‘নো বল’ করা প্রথম ক্রিকেটারও কি এই পেসার? উত্তর পেতে গবেষণার বিকল্প নেই। আপাতত সে সময় কারও নেই। ব্রিসবেন টেস্ট জমে উঠেছে। কাল ভারতের এবারকার অস্ট্রেলিয়া সফরের শেষ দিন। এই শেষ দিনেই ফয়সালা হবে টেস্ট সিরিজের। নটরাজনের ভীষণ অদ্ভুত এই ‘বদভ্যাস’ তাই পাশ কাটিয়েছেন অনেকে। কিন্তু শেন ওয়ার্ন তেমন মানুষ নন। হাতে মাইক্রোফোন এবং চোখের সামনে টেস্ট ক্রিকেট থাকলে অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তির মুখে কথার খই ফোটে। এবারের সিরিজেই নানা পদের কথা বলে বিতর্ক ও প্রশংসা দুটোই কুড়িয়েছেন ওয়ার্ন। আজ নটরাজনের ‘নো বল’ নিয়েও মুখ খুললেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ছয়টি ‘নো বল’ করেন বাঁহাতি এ পেসার। আজ অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে চতুর্থ দিনেও নো বল করেছেন। প্রায় সব কটি নো বলেই তাঁর ডান পা ক্রিজের দাগ পেরিয়ে চোখে পড়ার মতো দূরত্বে গিয়ে পড়েছে। আর এর মধ্যে পাঁচটি নো বল তিনি করেছেন ওভারের প্রথম বলে। ভীষণ অদ্ভুত এবং খুঁতখুঁতে মনের সমর্থকদের জন্য ভ্রুকুটিজাগানিয়া বটে!

 

ক্রিকেট নিয়ে ওয়ার্ন বরাবরই একটু খুঁতখুঁতে। নানা সময় দেখা গেছে, খেলার কৌশলগত দিক, এমনকি নিয়ম পাল্টাতেও তাগাদা দিয়েছেন আইসিসিকে। ওয়ার্নের চোখে ভারতীয় পেসারের এভাবে নো বল করা স্বাভাবিক লাগেনি। টেস্টের তৃতীয় দিনেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন কিংবদন্তি। এবার ফক্স ক্রিকেটকে কিংবদন্তি বললেন, ‘নটরাজন বল করার সময় একটি কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় চোখে পড়ল। এ ম্যাচে সে সাতটি (আটটি) নো বল করেছে এবং সব কটিই বড় বড়। এর মধ্যে পাঁচটি নো বলই ওভারের প্রথম বলে—বিশাল বড়। বিষয়টি খুবই অদ্ভুত। আমরা সবাই নো বল করেছি, কিন্তু পাঁচটি নো বল ওভারের প্রথম বলে, এটা অবশ্যই কৌতূহলজাগানিয়া।’ কিসের কৌতূহল, তা মোটামুটি সবাই ধরতে পেরেছেন। ২০১০ লর্ডস টেস্টে মোহাম্মদ আমির ও মোহাম্মদ আসিফের সেই নো বল কেলেঙ্কারির পর এখন ক্রিজের বড় ‘নো’ দেখলেই ভ্রুকুটি জাগে অনেকের। স্পট ফিক্সিং নয় তো! খ্যাতিমান সংবাদকর্মী জ্যারড কিম্বারের আজকের টুইট সে ভুল ভাঙাতে পারে, ‘কোন বলটা নো হবে, তা নিয়ে লোকে বাজি ধরে না। লর্ডসে আমির-আসিফের ক্ষেত্রেও কিন্তু তেমন ঘটেনি। তারা নো বল করেছিল, এটা প্রমাণ করতে যে মাঠে যা ইচ্ছা তা করতে পারে তারা। সে নো বলে কোনো বাজি ধরা হয়নি।’

ক্রিকেট নিয়ে ওয়ার্ন বরাবরই একটু খুঁতখুঁতে। নানা সময় দেখা গেছে, খেলার কৌশলগত দিক, এমনকি নিয়ম পাল্টাতেও তাগাদা দিয়েছেন আইসিসিকে। ওয়ার্নের চোখে ভারতীয় পেসারের এভাবে নো বল করা স্বাভাবিক লাগেনি। টেস্টের তৃতীয় দিনেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন কিংবদন্তি। এবার ফক্স ক্রিকেটকে কিংবদন্তি বললেন, ‘নটরাজন বল করার সময় একটি কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় চোখে পড়ল। এ ম্যাচে সে সাতটি (আটটি) নো বল করেছে এবং সব কটিই বড় বড়। এর মধ্যে পাঁচটি নো বলই ওভারের প্রথম বলে—বিশাল বড়। বিষয়টি খুবই অদ্ভুত। আমরা সবাই নো বল করেছি, কিন্তু পাঁচটি নো বল ওভারের প্রথম বলে, এটা অবশ্যই কৌতূহলজাগানিয়া।’ কিসের কৌতূহল, তা মোটামুটি সবাই ধরতে পেরেছেন। ২০১০ লর্ডস টেস্টে মোহাম্মদ আমির ও মোহাম্মদ আসিফের সেই নো বল কেলেঙ্কারির পর এখন ক্রিজের বড় ‘নো’ দেখলেই ভ্রুকুটি জাগে অনেকের। স্পট ফিক্সিং নয় তো! খ্যাতিমান সংবাদকর্মী জ্যারড কিম্বারের আজকের টুইট সে ভুল ভাঙাতে পারে, ‘কোন বলটা নো হবে, তা নিয়ে লোকে বাজি ধরে না। লর্ডসে আমির-আসিফের ক্ষেত্রেও কিন্তু তেমন ঘটেনি। তারা নো বল করেছিল, এটা প্রমাণ করতে যে মাঠে যা ইচ্ছা তা করতে পারে তারা। সে নো বলে কোনো বাজি ধরা হয়নি।’

ক্রিকেট নিয়ে ওয়ার্ন বরাবরই একটু খুঁতখুঁতে। নানা সময় দেখা গেছে, খেলার কৌশলগত দিক, এমনকি নিয়ম পাল্টাতেও তাগাদা দিয়েছেন আইসিসিকে। ওয়ার্নের চোখে ভারতীয় পেসারের এভাবে নো বল করা স্বাভাবিক লাগেনি। টেস্টের তৃতীয় দিনেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন কিংবদন্তি। এবার ফক্স ক্রিকেটকে কিংবদন্তি বললেন, ‘নটরাজন বল করার সময় একটি কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় চোখে পড়ল। এ ম্যাচে সে সাতটি (আটটি) নো বল করেছে এবং সব কটিই বড় বড়। এর মধ্যে পাঁচটি নো বলই ওভারের প্রথম বলে—বিশাল বড়। বিষয়টি খুবই অদ্ভুত। আমরা সবাই নো বল করেছি, কিন্তু পাঁচটি নো বল ওভারের প্রথম বলে, এটা অবশ্যই কৌতূহলজাগানিয়া।’ কিসের কৌতূহল, তা মোটামুটি সবাই ধরতে পেরেছেন। ২০১০ লর্ডস টেস্টে মোহাম্মদ আমির ও মোহাম্মদ আসিফের সেই নো বল কেলেঙ্কারির পর এখন ক্রিজের বড় ‘নো’ দেখলেই ভ্রুকুটি জাগে অনেকের। স্পট ফিক্সিং নয় তো! খ্যাতিমান সংবাদকর্মী জ্যারড কিম্বারের আজকের টুইট সে ভুল ভাঙাতে পারে, ‘কোন বলটা নো হবে, তা নিয়ে লোকে বাজি ধরে না। লর্ডসে আমির-আসিফের ক্ষেত্রেও কিন্তু তেমন ঘটেনি। তারা নো বল করেছিল, এটা প্রমাণ করতে যে মাঠে যা ইচ্ছা তা করতে পারে তারা। সে নো বলে কোনো বাজি ধরা হয়নি।’